তাহাজ্জুদ নামাজের সময়
আপনার জেলা নির্বাচন করুন — রাতের শেষ তৃতীয়াংশের সময়
ঢাকার আজকের তাহাজ্জুদের সময়
১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার — ২৫ রমজান ১৪৪৭
বিভাগীয় শহরের তাহাজ্জুদের সময়
৮টি বিভাগীয় রাজধানীর আজকের তাহাজ্জুদ শুরুর সময়
তাহাজ্জুদের দোয়া
ঘুম থেকে উঠে পড়ার দোয়া — বুখারী ১১২০
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু আনতা নুরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়া মান ফীহিন্না
অর্থ: হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা তোমার — তুমিই আসমান, জমিন ও তার মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুর নূর।
সূরা আল-ইসরা ১৭:৭৯
وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَّكَ عَسَىٰ أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا
অর্থ: রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ পড়ো — এটা তোমার জন্য অতিরিক্ত। আশা করা যায় তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত স্থানে পুনরুত্থিত করবেন।
আরও দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তাহাজ্জুদ নামাজের সময় কখন শুরু হয়?
তাহাজ্জুদের সময় রাতের শেষ তৃতীয়াংশ থেকে শুরু হয়। মাগরিব থেকে পরদিন ফজর পর্যন্ত রাতের মোট সময়ের শেষ এক-তৃতীয়াংশ হলো তাহাজ্জুদের সর্বোত্তম সময়। এই সময়ে আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বান্দার দোয়া কবুল করেন।
তাহাজ্জুদ নামাজ কয় রাকাত পড়তে হয়?
তাহাজ্জুদ সর্বনিম্ন ২ রাকাত পড়া যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাধারণত ৮ রাকাত পড়তেন (২+২+২+২) এবং শেষে ৩ রাকাত বিতর — মোট ১১ রাকাত। প্রতিটি ২ রাকাতে সালাম ফেরাতে হবে।
তাহাজ্জুদ কি প্রতিদিন পড়া ফরজ?
না, তাহাজ্জুদ ফরজ নয়, তবে এটি সুন্নতে মুস্তাহাব্বাহ (অত্যন্ত পছন্দনীয় সুন্নত)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনো তাহাজ্জুদ ছাড়েননি। নিয়মিত পড়লে আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয়।
ঘুম থেকে উঠতে না পারলে কী করব?
ইশার পরে বিতর পড়ে ঘুমাবেন। ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদের নিয়ত করবেন এবং অ্যালার্ম দেবেন। যদি কোনো রাতে উঠতে না পারেন, সকালে চাশতের সময় কাযা হিসেবে পড়তে পারেন।
তাহাজ্জুদের সর্বোত্তম সময় কোনটি?
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ফজরের আগের এক থেকে দেড় ঘণ্টা সবচেয়ে উত্তম। এই সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ।" (মুসলিম ১১৬৩)
সকল জেলার তাহাজ্জুদের সময়
আপনার জেলা নির্বাচন করুন