দ্বীনকিট

ইসলামিক নাম অর্থসহ — ছেলে ও মেয়ে শিশুর নাম

৫০৩টি সুন্দর ইসলামিক নাম — আরবি বানান, বাংলা অর্থ ও উৎসসহ

জনপ্রিয় ইসলামিক নাম

عَبْدُ ٱللَّٰهِ

কুরআনিক

আব্দুল্লাহ (Abdullah)

অর্থ: আল্লাহর বান্দা

مُحَمَّد

কুরআনিক

মুহাম্মাদ (Muhammad)

অর্থ: প্রশংসিত

حَسَن

সাহাবী

হাসান (Hasan)

অর্থ: সুদর্শন, উত্তম

عَائِشَة

সাহাবী

আয়েশা (Ayesha)

অর্থ: জীবনময়, সুখী

فَاطِمَة

সাহাবী

ফাতিমা (Fatima)

অর্থ: সংযমী, দুধছাড়ানো

مَرْيَم

কুরআনিক

মারিয়াম (Mariam)

অর্থ: ইবাদতকারিণী, পবিত্র

আরও দেখুন

ইসলামিক নাম সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইসলামিক নাম রাখা কি জরুরি?

ইসলামে সন্তানের সুন্দর ও অর্থবহ নাম রাখা সুন্নত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "কিয়ামতের দিন তোমাদের নিজেদের নামে এবং তোমাদের পিতাদের নামে ডাকা হবে। অতএব তোমরা সুন্দর নাম রাখো।" (আবু দাউদ ৪৯৪৮)। তাই অর্থবহ ইসলামিক নাম রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুর নাম কবে রাখতে হয়?

হাদিস অনুযায়ী জন্মের সপ্তম দিনে আকিকার সাথে নাম রাখা উত্তম। তবে জন্মের দিনেও নাম রাখা জায়েজ — রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পুত্র ইবরাহিমের নাম জন্মের দিনই রেখেছিলেন। সপ্তম দিনের আগে বা পরেও নাম রাখতে কোনো বাধা নেই।

কুরআনিক নাম ও আরবি নামের মধ্যে পার্থক্য কী?

কুরআনিক নাম হলো সেই নামগুলো যেগুলো সরাসরি পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে — যেমন মারিয়াম, ইবরাহিম, ইউসুফ। আরবি নাম হলো আরবি ভাষা থেকে আসা সুন্দর অর্থবহ নাম যেগুলো কুরআনে সরাসরি নেই — যেমন ফাহিম (বুদ্ধিমান), মাহির (দক্ষ)। উভয় ধরনের নামই ইসলামে জায়েজ।

কোন নামগুলো রাখা নিষেধ?

ইসলামে যেসব নাম রাখা নিষেধ: (১) আল্লাহর একক গুণবাচক নাম — যেমন "আর-রহমান", "আল-খালিক" (তবে "আব্দুর রহমান" জায়েজ), (২) শিরকযুক্ত নাম — অন্য কোনো সত্তার দাসত্ব বোঝায় এমন নাম, (৩) খারাপ বা অশুভ অর্থের নাম, (৪) অন্য ধর্মের নির্দিষ্ট নাম।

নামের সাথে "মুহাম্মাদ" বা "আব্দুল" যোগ করা কি জরুরি?

না, এটি জরুরি নয়। তবে নবী (ﷺ) এর নামে নাম রাখা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)। তিনি বলেছেন, "আমার নামে নাম রাখো।" (বুখারি ৩৫৩২)। "আব্দুল" (দাস) যোগ করে আল্লাহর গুণবাচক নামের সাথে জুড়ে নাম রাখা — যেমন আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান — সবচেয়ে উত্তম নাম।

এখানে কতগুলো নাম আছে?

দ্বীনকিটে বর্তমানে ৫০৩টি ইসলামিক নাম আছে — ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য। প্রতিটি নামের আরবি বানান, বাংলা অর্থ, ইংরেজি উচ্চারণ ও উৎস (কুরআনিক, হাদিস, সাহাবী ইত্যাদি) দেওয়া হয়েছে।