দ্বীনকিট

উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিকের দোয়া

আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ — ইবনে মাজাহ ৯২৫ (সহীহ)

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَّافِعًا وَّرِزْقًا طَيِّبًا وَّعَمَلًا مُّتَقَبَّلًا

উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআন, ওয়া রিযক্বান তায়্যিবান, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা।

বাংলা অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র (হালাল) রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।

ইবনে মাজাহ ৯২৫ (সহীহ)

কখন ও কীভাবে পড়বেন

উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিকের দোয়া পড়ার সময় ও নিয়ম

ফজরের নামাজের সালাম ফেরানোর পর এই দোয়া পড়া সুন্নত। উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত — রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাজের পর এই দোয়া পড়তেন। দিনের শুরুতে সকালের যিকির হিসেবে এটি পড়া উত্তম।

ফজিলত

উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিকের দোয়া পড়ার ফজিলত ও উপকারিতা

এই দোয়ায় একসাথে জীবনের তিনটি মৌলিক কল্যাণ চাওয়া হয়েছে — উপকারী জ্ঞান, হালাল রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল, যা দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্যের তিন স্তম্ভ। ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ.) "যাদুল মাআদ" গ্রন্থে এর সনদকে হাসান বলেছেন এবং দারুসসালাম সংস্করণে হাদিসটি সহীহ। লক্ষণীয় — রাসূলুল্লাহ (ﷺ) "জ্ঞান" চাওয়ার সময় শুধু জ্ঞান নয়, বরং "উপকারী জ্ঞান" চাইতে শিখিয়েছেন।

সম্পর্কিত দোয়া

আরও দেখুন

উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিকের দোয়া সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফজরের নামাজের পর কোন দোয়া পড়তে হয়?

ফজরের নামাজের সালাম ফেরানোর পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই দোয়া পড়তেন: "আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআন, ওয়া রিযক্বান তায়্যিবান, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা।" অর্থ: হে আল্লাহ, আমি উপকারী জ্ঞান, হালাল রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল চাই (ইবনে মাজাহ ৯২৫)।

উপকারী জ্ঞান ও রিযিকের দোয়াটি কে বর্ণনা করেছেন?

এই দোয়াটি উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাজের পর সালাম ফিরিয়ে এই দোয়া পড়তেন। হাদিসটি সুনানে ইবনে মাজাহ (৯২৫) এ আছে এবং সহীহ।

হালাল রিযিকের জন্য কোন দোয়া পড়বো?

হালাল ও পবিত্র রিযিকের জন্য "আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআন, ওয়া রিযক্বান তায়্যিবান, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা" পড়া যায় — এতে "রিযক্বান তায়্যিবান" অর্থ পবিত্র ও হালাল রিযিক প্রার্থনা করা হয়। সকালে ফজরের পর এটি পড়া সুন্নত।

এই দোয়ায় কোন তিনটি জিনিস চাওয়া হয়?

এই দোয়ায় তিনটি জিনিস চাওয়া হয়: (১) উপকারী জ্ঞান (ইলমান নাফিআন), (২) পবিত্র বা হালাল রিযিক (রিযক্বান তায়্যিবান) এবং (৩) কবুলযোগ্য আমল (আমালান মুতাক্বাব্বালা)। এগুলো দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের মূল ভিত্তি।